প্রথম দেখায় ঢাকার সরকারি ক্রয়/প্রকিউরমেন্ট বেশ বিস্তৃত ও প্রতিযোগিতামূলক মনে হতে পারে—হাজারো প্রতিষ্ঠান, অসংখ্য টেন্ডার, এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অর্থ ছড়িয়ে থাকা। কিন্তু কারা বারবার জিতছে এবং কারা কোথায় জয়ী হচ্ছে—এটা ম্যাপ করলে চিত্রটি পরিষ্কার হয়: অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান বাজেটের বড় অংশ বারবার “ক্যাপচার” করে, আর বহু প্রতিষ্ঠান একবার এসে হারিয়ে যায়।
— থেকে — সময়কালে এই ডেটাসেটে রয়েছে —টি অ্যাওয়ার্ড নোটিশ, মোট মূল্য ৳— কোটি, এবং অংশগ্রহণকারী —টি প্রতিষ্ঠান।
কিন্তু বণ্টনটা খুব খাড়া। —টি প্রতিষ্ঠান একবারই জিতেছে—তারা মোট পেয়েছে ৳— কোটি, যা মোট মূল্যের প্রায় ।
অন্যদিকে, শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠান একাই পেয়েছে ৳— কোটি—মোট মূল্যের প্রায় । এমন “winner-takes-most” কাঠামো সাধারণত দুর্বল প্রতিযোগিতা ও ক্যাপচার ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়।
নিচের স্যাঙ্কি ডায়াগ্রামটি মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিষ্ঠানে অর্থপ্রবাহ দেখায়। ডিফল্টভাবে শীর্ষ চুক্তিজয়ী প্রতিষ্ঠানের তথ্য দেখা যাবে। তালিকা থেকে কোনো প্রতিষ্ঠানে ক্লিক করলে, সেই প্রতিষ্ঠানে যাওয়া ফ্লো-গুলো হাইলাইট হবে। কোনো ব্যান্ডে হোভার করলে সংশ্লিষ্ট সম্পর্কের সারাংশ দেখাবে।
এখানে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের জন্য Herfindahl–Hirschman Index (HHI) হিসাব করা হয়েছে—এটি প্রতিযোগিতা পরিমাপের একটি স্ট্যান্ডার্ড সূচক। সাধারণ গাইডলাইনে ২,৫০০-এর বেশি হলে বাজারকে “অতি-সংকেন্দ্রিত (highly concentrated)” ধরা হয়।
| মন্ত্রণালয় / বিভাগ | HHI | প্রতিষ্ঠান | শীর্ষ প্রতিষ্ঠান | শীর্ষ শেয়ার (%) | ঝুঁকি স্তর |
|---|