ইকুয়াসিস
আইএমও নম্বর, জাহাজের ইতিহাস, নিবন্ধিত মালিক ও ব্যবস্থাপনা যাচাই করতে।
২১ জুলাইয়ের অগ্নিকাণ্ডের পর মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশের গ্যাস সরবরাহে তার প্রভাব দ্রুত দৃশ্যমান হয়। সেই প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত আমাদের অনুসন্ধানে একটি প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছিল– বাংলাদেশ যে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের ওপর নির্ভর করছে, সেটির ইতিহাস, পরিচয় ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে জনসমক্ষে কী তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়।
প্রশ্নগুলির উত্তর আমরা কিভাবে খুঁজে বের করেছি? সেই প্রক্রিয়াটি এখানে দেখানো হয়েছে।
কোন প্রশ্ন থেকে অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল, কেন একটি আইএমও নম্বরকে ভিত্তি করা হয়েছিল, কোন আন্তর্জাতিক নথি ব্যবহার করা হয়েছে, কিভাবে বিভিন্ন দেশের তথ্য মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং কোথায় উন্মুক্ত নথির সীমা থেমে গেছে।
এই তথ্যগুলি তাদের জন্য যারা শুধু ফলাফল নয়, অনুসন্ধানের পদ্ধতিও বুঝতে চান। জনস্বার্থে প্রকাশিত অনুসন্ধানের প্রমাণ ও পদ্ধতি উন্মুক্ত হলে, পাঠক নিজেও যাচাই করতে পারেন কিভাবে অনুসন্ধানটি হলো।
প্রতিটি ধাপে ক্লিক করলে সেই পর্যায়ের প্রশ্ন, কাজের পদ্ধতি এবং পাওয়া ফলাফল দেখা যাবে।
আইএমও নম্বর, জাহাজের ইতিহাস, নিবন্ধিত মালিক ও ব্যবস্থাপনা যাচাই করতে।
প্রযুক্তিগত পরিচয়, জাহাজের ধরন এবং প্রকাশ্য শ্রেণি তথ্য মিলিয়ে দেখতে।
নির্মাণকাল, বর্তমান ব্যবহার ও মহেশখালীতে মোতায়েনের সংযোগ যাচাই করতে।
গাল্ফ গেটওয়ের লাইসেন্স, কার্যক্রম ও ডিকমিশনিংয়ের ধারাবাহিকতা নির্মাণ।
ড্রাইডকিং, পরিচালন আয়ের প্রভাব এবং কোম্পানির নিজের প্রকাশিত তথ্য জানতে।
শিপইয়ার্ড কাজ, স্থানীয় সময়রেখা এবং নথিতে পাওয়া তথ্যকে প্রাসঙ্গিক করতে।
সাম্প্রতিক পূর্ণ জরিপের বিস্তারিত প্রতিবেদন উন্মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।
শ্রেণিবিন্যাস প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ অনুসন্ধান উন্মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।
ওভারহলিংয়ের প্রতিটি যন্ত্রাংশ ও কাজের পূর্ণ বিবরণ পাওয়া যায়নি।
অগ্নিকাণ্ড ও পরবর্তী প্রকৌশল সমীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।